যদি এভাবে নির্বিঘ্নে হয়, যেই ঘোষণা আসুক আমরা মেনে নেব:আরমান
১২ ফেব্রু ২০২৬, ১১:৪৪ পূর্বাহ্ণ

স্টাফ রিপোর্টার:
এখন পর্যন্ত যেভাবে ভোট চলছে, ফলাফল গণনা এবং ফলাফল যদি নির্বিঘ্নে হয়, যেই ঘোষণা আসুক আমরা মেনে নেওয়ার কথা বলেছেন ঢাকা-১৪ আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান।বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে রাজধানীর মিরপুর কলেজ কেন্দ্রে তিনি ভোট দিতে আসার পর সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান বলেন, ‘আমি যদি পুরো আসনের দিকে তাকাই, তাহলে এখন পর্যন্ত সার্বিক পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ উৎসবমুখর পরিবেশে জনগণ ভোট দিচ্ছে।’
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান বলেন, ‘একটি নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে কি না এটা ফলাফলের ওপর নির্ভর করে না, এটা নির্ভর করে প্রক্রিয়ার ওপর। প্রথম প্রক্রিয়া হচ্ছে, নির্বাচন কমিশন যেসব প্রতিজ্ঞা করেছিল সিসিটিভি কভারেজ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অবস্থান, সেগুলো নিশ্চিত হয়েছে কি না। দ্বিতীয়ত হচ্ছে, ভোট দেওয়ার সময় কোনো রকম হয়রানি বা কোনো রকম বাধাবিপত্তি আসছে কি না। তৃতীয়ত, ভোট গণনা এবং ভোট ঘোষণা কেন্দ্রভিত্তিক ঘোষণার সময় কোনোরকম হস্তক্ষেপ হয়েছে কি না। এগুলোর ওপর নির্ভর করবে যে ভোট আমাদের কি গ্রহণযোগ্য হয়েছে নাকি এটা ত্রুটিপূর্ণ হয়েছে।’
মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান বলেন, ‘সবচেয়ে বড় কনসার্নের বিষয় হচ্ছে, উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে যেসব কেন্দ্র ইলেকশন কমিশন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করা হয়েছে। সেখানে ইলেকশন কমিশন থেকে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল যে সব জায়গায় সিসিটিভি ক্যামেরা কভারেজ থাকবে। কিন্তু গতকালকে আমরা বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের সরেজমিনে গিয়ে দেখতে পাই যে সেখানে সিসিটিভি ক্যামেরা নেই। এবং এ রকমও তথ্য আমরা পেয়েছি যে ইলেকশন কমিশনের নির্দেশে সিটি করপোরেশনের লোকজন ক্যামেরা ফিট করতে এসে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালীদের বাধার মুখে তারা ক্যামেরা না লাগিয়ে চলে গিয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে তথ্য এসেছে গতকাল রাতে বিভিন্ন জায়গায় পর্যবেক্ষকেরা বিভিন্ন কেন্দ্রে ভিজিট করতে গেলে স্থানীয় কিছু উচ্ছৃঙ্খল লোকজন তাদের হয়রানি করেছে। আমাদের সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হচ্ছে আমাদের কিছু সমর্থকদের হয়রানি করা হচ্ছে। হয়রানিমূলক অভিযোগ দিয়ে তাদের পুলিশে ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এটা খুবই উদ্বেগজনক। যদিও আমাকে বলতেই হবে সেগুলো সব কটি এখন পর্যন্ত বিচ্ছিন্ন ঘটনা।’
ঢাকা-১৪ আসনে মোট প্রার্থী ১২ জন। ১৭৩টি ভোটকেন্দ্রে মোট ভোটার রয়েছে ৪ লাখ ৫০ হাজার ৭৪৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ২৮ হাজার ১০৯ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ২২ হাজার ৬৩০ জন ও হিজড়া সম্প্রদায়ের ৪ জন।
এই সংবাদটি পড়া হয়েছে : 1K বার