মির্জা আব্বাসের সম্পদ ৬৮ কোটি টাকার, অস্ত্র ৩টি
০৫ জানু ২০২৬, ১১:৩০ পূর্বাহ্ণ

স্টাফ রিপোর্টার:
ঢাকা-৮ আসনে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মির্জা আব্বাস হলফনামায় নিজের নামে ৬৮ কোটি ৬৭ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য দিয়েছেন। সাবেক মন্ত্রী ও অবিভক্ত ঢাকার সাবেক মেয়র মির্জা আব্বাসের ঘোষিত আয়ের বড় অংশই এসেছে বিভিন্ন আর্থিক বিনিয়োগ ও বাড়িভাড়া থেকে।
হলফনামা অনুযায়ী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্যের বার্ষিক আয় ৯ কোটি ২৬ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। পেশা হিসেবে ব্যবসার কথা উল্লেখ করলেও ব্যবসা থেকে কোনো আয় দেখাননি তিনি। ঘোষিত আয়ের পুরোটা এসেছে বাড়িভাড়া, ব্যাংক আমানত, এফডিআর, সঞ্চয়পত্র ও পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ থেকে। এর মধ্যে বাড়িভাড়া থেকে বছরে আয় দেখানো হয়েছে ৩ কোটি ৪ লাখ টাকা। এ ছাড়া এফডিআর ও ব্যাংক আমানতের সুদ বাবদ আয় ১ কোটি ২৯ লাখ ১৭ হাজার টাকা এবং শেয়ার ও সঞ্চয়পত্র থেকে আয় ৪ কোটি ৯৩ লাখ ১০ হাজার টাকা।
সম্পদের বিবরণীতে মির্জা আব্বাসের নামে ঢাকা ব্যাংকের ৫১ কোটি ৭৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকার শেয়ারের তথ্য রয়েছে। পাশাপাশি ৩০ লাখ টাকার গহনা ও মূল্যবান ধাতু থাকার কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি। অস্ত্র ক্রয়ে খরচ দেখানো হয়েছে ৪ লাখ ১০ হাজার টাকা।
স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে ১৮ লাখ টাকা মূল্যমানের অকৃষি জমি। উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া সম্পদের তালিকায় রয়েছে ৬ হাজার ১০৬ বর্গফুটের একটি বাণিজ্যিক ভবন, দুটি গাড়ির পার্কিং সুবিধাসহ ২ হাজার ৯৩০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট এবং ১ কোটি ৮৫ লাখ টাকা মূল্যমানের ৮ হাজার ৩০ বর্গফুটের একটি ফ্লোর। এ ছাড়া উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া আরও পাঁচটি ফ্ল্যাটের কথা উল্লেখ করা হলেও সেগুলোর অর্জনকালীন মূল্য দেখানো হয়নি। এসব ফ্ল্যাটের মোট আয়তন ৮ হাজার ৬০৪ বর্গফুট।
হলফনামায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সবশেষ অর্থবছরে মির্জা আব্বাস ৩ কোটি ৫৫ লাখ টাকার আয়কর রিটার্ন দাখিল করেছেন।
তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাসের নামে সম্পদ দেখানো হয়েছে ৩৩ কোটি ১৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। এর মধ্যে ঢাকা ব্যাংকের শেয়ারের মূল্য ৩১ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। পাশাপাশি ২২ লাখ টাকার গহনা ও মূল্যবান ধাতুর তথ্যও রয়েছে। সর্বশেষ আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী, তিনি সরকারি কোষাগারে ১১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা কর পরিশোধ করেছেন।
১৯৫১ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি জন্ম নেওয়া মির্জা আব্বাস শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে স্নাতক ডিগ্রির কথা উল্লেখ করেছেন। হলফনামায় তার বিরুদ্ধে ২২টি মামলার তথ্যও তুলে ধরা হয়েছে।
এই সংবাদটি পড়া হয়েছে : 1K বার