হলফনামায় আয়কর রিটার্নে টাইপিং মিস্টেক ছিল, আইনগতভাবে সংশোধন করা হয়েছে: সারজিস আলম

Daily Ajker Sylhet

দৈনিক আজকের সিলেট

০৭ জানু ২০২৬, ০৪:০৩ অপরাহ্ণ


হলফনামায় আয়কর রিটার্নে টাইপিং মিস্টেক ছিল, আইনগতভাবে সংশোধন করা হয়েছে: সারজিস আলম

স্টাফ রিপোর্টার:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পঞ্চগড়-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-র উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও ১১ দলীয় জোটের মনোনীত শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী সারজিস আলম তার হলফনামায় আয়কর রিটার্ন সংক্রান্ত তথ্যে টাইপিং মিস্টেক থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি জানান, বিষয়টি রিটার্নিং কর্মকর্তাকে অবগত করে আইনগত প্রক্রিয়ায় সংশোধন করা হয়েছে।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে পঞ্চগড় শহরের লিচুতলা এলাকায় এনসিপির জেলা কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

সারজিস আলম বলেন, অনিচ্ছাকৃতভাবে তার আইনজীবীর ভুলে আয়কর রিটার্নে ৯ লাখ টাকার স্থলে ২৮ লাখ টাকা উল্লেখ করা হয়েছিল। পরে বিষয়টি নজরে এলে তাৎক্ষণিকভাবে নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী সংশোধন করা হয়।

সম্প্রতি হলফনামার তথ্য ও আয়কর রিটার্নের তথ্যে অসঙ্গতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের প্রেক্ষিতেই তিনি এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দেন।

সংবাদ সম্মেলনে সারজিস আলম অভিযোগ করে বলেন, আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পেইড প্রোপাগান্ডা সেল থেকে তার বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে গুজব ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তিনি বলেন, “আমার বিরুদ্ধে এমনও রটানো হয়েছে যে আমি নাকি ওবায়দুল কাদেরকে দেশ ছেড়ে পালাতে আমার গাড়িতে করে সহযোগিতা করেছি। যারা আমাদের পেলে মাথা আলাদা করে দেবে, তাদের আমরা কেন সহযোগিতা করব?”

এ সময় তিনি বিএনপির দিকেও অভিযোগ তুলে বলেন, বিএনপি বর্তমানে নানা ধরনের গুজব ছড়াচ্ছে, আমাদের কর্মীদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে এবং নির্বাচনে কালো টাকার প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে—যা অতীতে আওয়ামী লীগ করেছিল।

নিজের পেশা সম্পর্কে সারজিস আলম বলেন, তিনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পণ্য সরবরাহের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। “আমরা কোনো ধরনের তথ্য গোপন করিনি। যা সত্য, সেটাই হলফনামায় দেখানো হয়েছে,” বলেন তিনি।

স্ত্রীর সম্পদ সংক্রান্ত প্রশ্নে তিনি বলেন, সদ্য বিবাহিত হওয়ায় স্ত্রীর নামে উল্লেখযোগ্য কোনো সম্পদ নেই। তিনি এখনো পড়াশোনা করছেন, গৃহিণী এবং কোনো ব্যবসা-বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত নন।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে : 1K বার