“সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য হিসাবে সাবিনা খান পপিকে নির্বাচিত করা অপরিহার্য”
০৭ মার্চ ২০২৬, ০১:৫৮ অপরাহ্ণ

এডভোকেট মোঃ আমান উদ্দিন:
ভূমিকা: যুক্তরাজ্য বি.এন.পি এর সভাপতি, জাতীয় নির্বাহী কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক, বিএনপি এর প্রতিষ্টাকালীন সদস্য, শেওলা সেতু সহ অগনিত রাস্তা-ঘাট বাস্তবায়নে অগ্রনী ভূমিকা পালন করেছেন জনাব মোঃ কমর উদ্দিন। একাধিকবার দলীয় প্রার্থী হতে চাইলে দলীয় নীতিনির্ধারক অন্য প্রার্থীকে মনোনয়ন দিলে দলের সিদ্ধান্ত মান্য করে তাহার পক্ষে কাজ করেছেন। দলীয় সিদ্ধান্তের বাহিরে কখন ও কোন কটু কথা বলেননি। অন্যদিকে তাহার ভাই মোঃ আব্দুল মতলিব দীর্ঘদিন ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন। তাহাদের পরিবার সর্বজন স্বীকৃত সমাজকর্মী। আজ আর কমর উদ্দিন ও আব্দুল মতলিব আমাদের মধ্যে নেই। কিন্তু তাহাদের কর্ম অনন্তকাল বেঁচে থাকবে সাধারন মানুষের হৃদয়ে।
বিপদে বন্ধুর পরিচয় পাওয়া যায়: সু সময়ে অনেকে বন্ধু বটে, অসময়ে হায়হায় কেহ কাহার নহে। যুক্তরাজ্যে অনেক অসহায়দের আশ্রয়স্থল ছিলেন কমর উদ্দিন। যখনই পরিচয় পেতেন এই অসহায় ছেলেটি বিএনপি এর রাজনীতির সাথে জড়িত তখন কমর উদ্দিন আপন ভাইয়ের মতো তাহার সাহায্যে এগিয়ে আসতেন। বি এন পি তথা জিয়া পরিবাররে কোন বিপদ আপদ দেখা দিলে জান প্রান উজাড় করে সহযোগীতার চেষ্টা করিতেন। নিরঅহংকারী কমর উদ্দিন বিএনপি এর কোন নেতা কর্মী বিপদে পড়েছে তখন তাহার সাহায্যের জন্য জীবনবাজি রেখে সে দেশের সরকারের নিকট আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে অধিকার প্রতিষ্টায় অগ্রনী ভূমিকা পালন করিতেন। এসব সম্ভবত বাড়িয়ে বলতেছি। কারন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান যুক্তরাজ্যে ত্যাগকালে তাহার উদ্দেশ্য যে সংবর্ধনা সভার আয়োজন করা হইয়াছিল সেই সভায় জনাব তারেক রহমান মরহুম কমর উদ্দিন কে স্বরন করে কৃতজ্ঞতার পরিচয় দিয়েছেন, সে জন্য বিয়ানীবাজারবাসী প্রধানমন্ত্রীর নিকট ধন্য। যেহেতু বিএনপি এর কর্নধার জনাব তারেক রহমান কমর উদ্দিন সম্পর্কে আমার চেয়ে হাজারগুন প্রত্যক্ষদর্শী, সেহেতু কমর উদ্দিন কে আমি নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার সুযোগ নেই।
জনাব কমর উদ্দিন সাহেবের সুযোগ্য সন্তান সাবিনা খান পপি: সাবিনা খান পপি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাথী হওয়ার জন্য যুক্তরাজ্যের কাউন্সিলর পদ থেকে পদত্যাগ করে বাংলাদেশের জনগণের সেবা নিশ্চিত করার জন্য চলে এসেছেন। পিতার দেখানো এবং শেখানো পথে বিএনপি এর রাজনীতিতে সক্রিয় ভাবে অংশগ্রহন করিতেছেন। বাংলাদেশে অবস্থানকালীন সময়ে প্রায় ৪/৫ মাস যাবৎ উঠান বৈঠক, পথসভা, বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্টান বিএনপি কর্তৃক ৩১ দফা বাস্তবায়নের জন্য প্রচার, নারী সামাজকে সংগঠিত করে দেশের উন্নয়নে তাহাদেরকে মূল ধারার রাজনীতিতে সম্পৃক্ত করা ও তাহাদের পক্ষে কথা বলার জন্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহন করে জনমত তৈরী করেছেন। অল্পদিনে সিলেট-৬ সংসদীয় আসনে শক্তিশালী প্রার্থী হিসাবে আত্মপ্রকাশ করেন। তফসিল ঘোষনার পর সিলেট-৬ আসনে প্রার্থী হওয়ার জন্য নমিনেশন জমা দেন। কিন্তু দলীয় নির্বাচন পরিচালনা বোর্ড যাচাই বাছাই করে জনাব এমরান আহমদ চৌধুরীকে প্রার্থী হিসাবে ঘোষনা করেন। নিরলস ভাবে তাহার পক্ষে কাজ করে জনাব এমরান আহমদ চৌধুরীকে নির্বাচিত করিতে সহযোগীতা করেন।
উল্লেখ করা প্রয়োজন জনাব কমর উদ্দিন এর জানাজায় বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মির্জা ফখরুল ইসলাম আলগীর সহ স্থায়ী কমিটির ও বিএনপির সিনিয়র অনেক নেতা উপস্থিত ছিলেন। জনাব কমর উদ্দিনকে স্মৃতি চারণ করে দাবি করেন, যেহেতু সকলেই শেওলা সেতুর রুপকার হিসাবে দাবি করিতেছেন সেহেতু বিএনপি ক্ষমতায় এলে তাহার নামে শেওলা সেতুর পরিবতে কমর উদ্দিন সেতু নাম করণ করা হইবে। বিশেষ করে এম ইলিয়াস আলী শেওলা সেতু বাস্থবায়নের একক কৃতিত্বের দাবীধান একথাটি কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দকে অবহিত করেন।
সিলেট-৬ সংসদীয় আসন বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত। জনাব এমরান আহমদ চৌধুরীর বাড়ী গোলাপগঞ্জে। দীর্ঘদিনের বঞ্চিত পরিবারের পরিক্ষীত নেতা মরহুম কমর উদ্দিন ও তাহার সুযোগ্য সন্তান সাবিনা খান পপিকে ভৌগলিক দিক তথা সবকিছু বিবেচনা করে তাহাকে বিএনপি এর হাই কমান্ড তাহাকে সংরক্ষিত আসনে নির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসাবে পবিত্র সংসদে জনগনের পক্ষে কথা বলার ক্ষেত্র তৈরীর জন্য জোর দাবী জানাচ্ছি। সাবিরা খান পপি তাহাদের পরিবারের বিএনপি এর প্রতি ত্যাগ অসীম, প্রাপ্তি শূন্য————-।
লেখক, সভাপতি-সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন), বিয়ানীবাজার, সিলেট। মোবা: ০১৮১৯-১৭৬২১৭
এই সংবাদটি পড়া হয়েছে : 999 বার