মানুষের কষ্ট কমাতে কাজ করবে সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী
১৬ মার্চ ২০২৬, ০৪:০৪ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক:
শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, সরকারের হাতে অনেক ধরনের ব্যবস্থা বা মেকানিজম থাকে। যেমন শুল্ক, আমদানি সংক্রান্ত নীতিমালা, বিভিন্ন ধরনের কর, ভ্যাট ইত্যাদি। এগুলোর হার কমানো বা বাড়ানোর মাধ্যমে অনেক সময় সরকার বাজারের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, যাতে দ্রব্যমূল্যের চাপ ভোক্তার উপর বেশি না পড়ে। আমরা সব সময় এই বিষয়টি মাথায় রাখি যে মানুষের যেন কষ্ট না হয়। সেই বিবেচনাকেই অগ্রাধিকার দিয়ে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
সোমবার (১৬ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সিলেট মহানগরীর বিভিন্ন মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সম্মানী প্রদান অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, এখাবে প্রায় ৮শ’র বেশি মসজিদ রয়েছে। সেই সব মসজিদের ইমাম সাহেব ও মুয়াজ্জিন সাহেবরা আজ এখানে উপস্থিত হয়েছেন। তাদের জন্য আমাদের প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে প্রদত্ত ঈদ উপহার পৌঁছে দেওয়া হবে। প্রতিটি মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য ঈদ উপলক্ষে কিছু সামান্য হাদিয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় সভাপতির মাধ্যমে সেই উপহারগুলো বিতরণ করা হবে।সিলেট ট্যুরিজম
দ্রব্যমূল্য বাড়বে কি না বা দেশের বাইরে যদি কোনো পণ্যের দাম বেড়ে যায় তার প্রভাব এখানে পড়বে কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এই সরকার মানুষের নির্বাচিত সরকার। মানুষের পছন্দের সরকার। এই সরকার যেকোনো কাজ করার সময় সবার আগে বিবেচনা করবে যাতে সাধারণ মানুষের কষ্ট না হয়। আমরা আশা করি বাজারের পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকবে। মানুষের কাছে যে দামে পণ্যগুলো এখন সহনীয় আছে, সেই সহনীয় পর্যায়েই যাতে থাকে তা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ সরকার নেবে।
তিনি আরও বলেন, সরকারের হাতে অনেক ধরনের ব্যবস্থা বা মেকানিজম থাকে। যেমন শুল্ক, আমদানি সংক্রান্ত নীতিমালা, বিভিন্ন ধরনের কর, ভ্যাট ইত্যাদি। এগুলোর হার কমানো বা বাড়ানোর মাধ্যমে অনেক সময় সরকার বাজারের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, যাতে দ্রব্যমূল্যের চাপ ভোক্তার উপর বেশি না পড়ে। আমরা সব সময় এই বিষয়টি মাথায় রাখি যে মানুষের যেন কষ্ট না হয়। সেই বিবেচনাকেই অগ্রাধিকার দিয়ে আমরা কাজ করি। কারণ এটি মানুষের পছন্দের এবং নির্বাচিত সরকার, আর সেই দায়িত্ব থেকেই আমরা সব সময় জনগণের স্বার্থকে সর্বাগ্রে গুরুত্ব দিই।
এই সংবাদটি পড়া হয়েছে : 997 বার