প্রত্যেকে নিজ নিজ ধর্ম অনুযায়ী পোশাক পরার স্বাধীনতা ভোগ করবে: জামায়াত আমির
২৭ জানু ২০২৬, ১০:২২ অপরাহ্ণ

স্টাফ রিপোর্টার:
নারীদের নিরাপত্তা ও সুযোগ-সুবিধার বিষয় তুলে ধরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, মায়েদের জন্য বিশেষ বাস ও শৌচাগারের ব্যবস্থা থাকবে। পাশাপাশি প্রত্যেকে নিজ নিজ ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী পোশাক পরার স্বাধীনতা ভোগ করবে।মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে যশোর ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন।
জামায়াতের আমির বলেন, ‘অতীতের বস্তাপচা রাজনীতির অবসান ঘটিয়ে আমরা বাংলাদেশে নতুন রাজনীতি নিয়ে আসব, যেখানে পরিবারতন্ত্রের রাজনীতি থাকবে না। আমাদের দলের বিজয় চাই না, আমরা দেশের ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাই।’
ক্ষমতায় গেলে যশোর শহরকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করা হবে জানিয়ে জামায়াতের এই নেতা বলেন, যশোর মেডিকেল কলেজে ৫০০ শয্যার হাসপাতাল, যোগাযোগব্যবস্থা ও ভৌত অবকাঠামো উন্নয়নের কাজও করা হবে।
গণভোট প্রসঙ্গে শফিকুর রহমান বলেন, গণভোটে হ্যাঁ ভোট মানেই আজাদি, আর না ভোট মানেই গোলামি। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি প্রথম হবে হ্যাঁ ভোট, এরপর সরকার গঠনে প্রতীকের ভোট।
নির্বাচনী প্রচারণায় নারী কর্মীদের বাধা ও হেনস্তার ঘটনায় কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি বলেছেন, যারা একদিকে নারীদের ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে, আবার অন্যদিকে নির্বাচনী প্রচারে নামলে নারীদের গায়ে হাত দেয়—তাদের এই দ্বিমুখী আচরণ একসাথে চলতে পারে না।
জামায়াত আমির একটি ‘বন্ধু সংগঠন’-এর প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন, ‘একদিকে আমাদের একটি বন্ধু সংগঠন, তারা বলছেন জনগণকে ফ্যামিলি কার্ড দেবেন এবং সেইটা দেবেন মহিলাদের হাতে। আবার আরেকদিকে এই মহিলারা যখন কোনো একটা দলের পক্ষে, আদর্শের পক্ষে, নতুন বাংলাদেশের পক্ষে ভোট চাওয়ার জন্য বের হচ্ছেন—তখন তাদের গায়ে হাত দেওয়া হচ্ছে। একদিকে ফ্যামিলি কার্ড, আরেকদিকে মা-বোনদের গায়ে হাত; দুইটা তো একসাথে চলে না।’
তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘এ দিয়ে জাতিকে কী বার্তা দেওয়া হচ্ছে? বার্তা দেওয়া হচ্ছে—আগামীতে এমন কোনো দল যদি ক্ষমতায় আসে যারা এখনই গায়ে হাত দেয়, তাদের কাছে বাংলাদেশের একজন মা-বোনও নিরাপদ হবেন না।’
এই সংবাদটি পড়া হয়েছে : 1K বার