স্টাফ রিপোর্টার:
ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের অতর্কিত হামলা শুক্রবার (৩ এপ্রিল) পর্যন্ত টানা ৩৫ দিনে গড়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ধারাবাহিকভাবে বলে আসছেন, ইরানের সামরিক সক্ষমতা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে তিনি দাবি করছেন যে ইরানের নৌবাহিনী, সেনাবাহিনী অবশিষ্ট বলে কিছু নেই। তবে ট্রাম্পের এসব দাবিকে একপ্রকার 'মিথ্যা' প্রমাণ করে চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট প্রকাশ করেছে সিএনএন।
রিপোর্টে বলা হয়েছে, ইরানের এখনও অর্ধেক মিসাইল উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা অক্ষত আছে। পাশাপাশি দেশটির হাজার হাজার একমুখী আক্রমণকারী ড্রোন এখনও তাদের অস্ত্রভাণ্ডারে রয়েছে। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার সাম্প্রতিক মূল্যায়নের সঙ্গে জ্ঞাত তিনটি সূত্র সিএনএন'কে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।
একটি সূত্র জানিয়েছে, ইরান এখনও সমগ্র অঞ্চলে চরম ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, ইরানের কাছে এখনো হাজার হাজার ড্রোন রয়েছে, যা দেশটির মোট ড্রোন সক্ষমতার প্রায় ৫০ শতাংশ।
সংশ্লিষ্ট দুইটি সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে সংগৃহীত এই তথ্য আরও ইঙ্গিত করে যে, ইরানের উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ব্যবহৃত বিপুলসংখ্যক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এখনও অক্ষত রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র তাদের বিমান হামলায় ইরানের উপকূলীয় সামরিক স্থাপনাগুলোকে প্রধান লক্ষ্যবস্তু করেনি। এই প্রেক্ষাপটে, এসব ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সক্ষমতা হিসেবে কাজ করছে। এটি ইরানকে হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলে হুমকির মুখে রাখার সুযোগ দিয়েছে।
মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার মূল্যায়নে বলা হয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থার পাশাপাশি ইরানের কাছে বিপুলসংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র এখনও মজুত রয়েছে।
এদিকে বুধবার সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপের সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে। তিনি বলেন, দেশটির অস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্র ও রকেট উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে এবং এসবের খুব অল্প অংশই এখন কার্যকর রয়েছে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ইরানে ১২ হাজার ৩০০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান ইরানের সামরিক সক্ষমতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল করে দিয়েছে।পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের শীর্ষ পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদেরও হত্যা করা হয়েছে—যাদের মধ্যে রয়েছেন সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনি এবং জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান আলি লারজানি।
সম্পাদক ও প্রকাশক: আব্দুল খালিক
আইন-উপদেষ্টা: ব্যারিস্টার ফয়সাল দস্তগীর, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
উপ-সম্পাদকঃ ফুজেল আহমদ
প্রকাশক কর্তৃক উত্তরা অফসেট প্রিন্টার্স কলেজ রোড, বিয়ানীবাজার, সিলেট থেকে মুদ্রিত ও শরীফা বিবি হাউজ, মেওয়া থেকে প্রকাশিত।
বানিজ্যিক কার্যালয় : উত্তর বাজার মেইন রোড বিয়ানীবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: dailyajkersylhet24@gmail.com মোবাইল: ০১৮১৯-৫৬৪৮৮১, ০১৭৩৮১১৬৫১২।
শাফিয়া শরীফা মিডিয়া বাড়ীর একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান দৈনিক আজকের সিলেট, রেজি নং: সিল/১৫৩