খালেদা জিয়া: ১৯৪৬-২০২৫
৩১ ডিসে ২০২৫, ১২:২৮ অপরাহ্ণ

স্টাফ রিপোর্টার:
৫ আগস্ট তৎকালীন সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন জিয়াউর রহমানের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়।
মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে দুই সন্তানসহ আত্মগোপনে চলে যান খালেদা জিয়া। ছিলেন চট্টগ্রামে। একপর্যায়ে তিনি ঢাকায় আসতে বাধ্য হন। ২ জুলাই ঢাকার সিদ্ধেশরীর একটি বাসা থেকে পাকিস্তানি সেনারা দুই ছেলেসহ খালেদা জিয়াকে বন্দী করে। ওই বছরের ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি ঢাকা সেনানিবাসে বন্দী ছিলেন।
নেতা-কর্মীদের আহ্বানে জানুয়ারিতে বিএনপির দলীয় সদস্যপদ গ্রহণ করেন খালেদা জিয়া।
এপ্রিলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন ও আগস্টে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারপারসন নির্বাচিত হন।
এরশাদবিরোধী আন্দোলনে রাজপথের নেত্রী হয়ে ওঠেন খালেদা জিয়া। তিনি ‘এরশাদ হটাও’–এর এক দফা আন্দোলন শুরু করেন।
ষষ্ঠ জাতীয় সংসদের (১৫ ফেব্রুয়ারি) একতরফা নির্বাচনে বিএনপি ২৭৮টি আসনে জয়ী হয়। খালেদা জিয়া আবার প্রধানমন্ত্রী হন। সেই সরকার টিকেছিল ১২ দিন।
অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় ঐক্যজোট ২১৬টি আসন পেয়ে জয়ী হয়। বিএনপি পায় ১৯৩টি আসন। খালেদা জিয়া তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হন।
২৪ জানুয়ারি ছোট ছেলে আরাফাত রহমানকে হারান খালেদা জিয়া। মালয়েশিয়ায় থাকা অবস্থায় হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর।
৭ জানুয়ারি চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়া যুক্তরাজ্যে যান, ফেরেন ৬ মে।
১৫ জানুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালাস পান তিনি।
২৩ নভেম্বর অসুস্থ অবস্থায় তাঁকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
২৫ ডিসেম্বর খালেদা জিয়ার বড় ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ১৭ বছর পর যুক্তরাজ্য থেকে দেশে ফেরেন।
৩০ ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান খালেদা জিয়া। অবসান ঘটে মহিমাময় এক রাজনৈতিক জীবনের।
সূত্র: ‘বেগম খালেদা জিয়া: জীবন ও সংগ্রাম’ (মাহফুজ উল্লাহ), ‘খালেদা’ (মহিউদ্দিন আহমদ), ‘বাংলাদেশের নির্বাচনী ব্যবস্থা ও ফলাফল’ (সংকলন নেসার আমিন) এবং খালেদা জিয়ার হলফনামা, বিএনপির ওয়েবসাইট ও মিডিয়া সেল।
এই সংবাদটি পড়া হয়েছে : 1K বার