কিশোরীকে অপহরণ করে দাদা-নাতির ধর্ষণ

Daily Ajker Sylhet

দৈনিক আজকের সিলেট

১১ মার্চ ২০২৬, ১২:৫৪ অপরাহ্ণ


কিশোরীকে অপহরণ করে দাদা-নাতির ধর্ষণ

স্টাফ রিপোর্টার:
মাদারীপুরের কালকিনিতে ১৪ বছরের এক কিশোরীকে অপহরণের পর পর্যায়ক্রমে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে দাদা ও নাতির বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী ওই কিশোরীকে সোমবার (৯ মার্চ) দুপুরে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ধর্ষণকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর বিচার চাইলেও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট থানায় কোনো অভিযোগ করেনি ভুক্তভোগী পরিবার।

কিশোরীর বর্ণনানুযায়ী, ভুক্তভোগী কিশোরীর মা মাদারীপুর শহরে গৃহকর্মীর আর বাবা ঢাকায় দিনমজুরের কাজ করেন। গত বুধবার (৪ মার্চ) ঝাউদী ইউনিয়নের ব্রাহ্মন্দী গ্রামে কিশোরীর বাড়িতে বেড়াতে আসেন তার চাচার আত্মীয় নওয়াব আলী সরদার। বাড়িতে কিশোরীকে একা পেয়ে নওয়াব আলী কৌশলে অজ্ঞান করে অপহরণ করে নিয়ে যায়। প্রথমে নওয়াব আলী তাকে আলীনগর গ্রামে নিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে ঢাকায় নিয়ে সেখানে নওয়াব আলীর সঙ্গে যুক্ত হয় তার নাতি মিলন সরদার।

দাদা ও নাতি দুজনই পর্যায়ক্রমে একাধিকবার ধর্ষণ করে বলেও অভিযোগ কিশোরীর। দাদা ও নাতির শাস্তি দাবি করেছে ভুক্তভোগী কিশোরী।

কিশোরীর মা বলেন, দীর্ঘ নির্যাতনের পর আত্মীয়-স্বজনদের সহায়তায় মেয়েকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছি। নওয়াব আলী আমাদের কাছের আত্মীয় হওয়া সত্ত্বেও দাদা-নাতি মিলে আমার নাবালক মেয়ের যে সর্বনাশ করেছে তার কঠিন বিচার চাই।

হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. মীর রায়হান জানান, ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে এক কিশোরী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তার চিকিৎসা চলছে। গাইনোকোলজিক্যাল পরীক্ষার রিপোর্ট হাতে পেলে বিষয়টি পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া যাবে।

এ বিষয়ে মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, হাসপাতাল সূত্রে আমরা ধর্ষণের অভিযোগে এক কিশোরীর ভর্তির খবর পেয়েছি। তবে এখন পর্যন্ত ভুক্তভোগী বা তার পরিবার লিখিত কোনো অভিযোগ দায়ের করেনি। অভিযোগ পেলে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অভিযুক্ত নওয়াব আলী সরদার, মিলন সরদারসহ তাদের পরিবারের সদস্যরা পলাতক রয়েছেন। এই পাশবিক নির্যাতনের ঘটনায় দোষীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীর পরিবার ও এলাকাবাসী।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে : 995 বার