নিজস্ব প্রতিবেদক :
ব্রাহ্মণবাড়িয়া মাছ ধরতে গিয়ে এক কিশোরকে হত্যার পর লাশ গুম করার ঘটনায় একজন গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৯)। সোমবার (২০ জুলাই) আনুমানিক বিকাল ৪টার দিকে সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল থানাধীন কুট্টাপাড়া কবরস্থান এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি- সুজন মিয়া (৩৫)। সে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল থানার কূট্টাপড়া এলাকার জয়নাল মিয়ার ছেলে।
ঘটনার বিবরণ উল্লেখ করে র্যাব জানায়, ভিকটিম জিহাদ ইসলাম জয় (১৬) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল থানাধীন কুট্টাপাড়া এলাকার বাসিন্দা। গত ১০ জুলাই আনুমানিক বিকাল ৫টার দিকে ভিকটিম তার পিতার সঙ্গে কুট্টাপাড়া এলাকার নাইল্লা ভাঙ্গার মোড়ে মাছ ধরতে যান। একপর্যায়ে ভিকটিমের পিতা তাকে কিছু মাছ তার মাতার কাছে পৌঁছে দিয়ে পুনরায় নাইল্লা ভাঙ্গার মোড়ে ফিরে আসতে বলেন। নির্দেশনা অনুযায়ী ভিকটিম বাড়িতে গিয়ে তার মায়ের কাছে মাছ পৌঁছে দেন। তবে এরপর তিনি আর নাইল্লা ভাঙ্গার মোড়ে ফিরে আসেননি। পরে ভিকটিমের পিতা বাড়িতে এসে তার মাতার কাছে ভিকটিমের না ফেরার কারণ জানতে চাইলে তিনি জানান যে, ভিকটিম মাছ দিয়ে মাগরিবের নামাজ আদায়ের পর নাইল্লা ভাঙ্গার মোড়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়।
পরবর্তীতে রাত আনুমানিক ৯ ঘটিকা পর্যন্ত ভিকটিম বাড়িতে ফিরে না আসায় তার পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে তারা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল থানাধীন ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের কুট্টাপাড়া মোড় এলাকার রাস্তার দক্ষিণ পাশে একটি ঝোঁপের ভেতরে ভিকটিমের শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখমপ্রাপ্ত রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান এবং মরদেহটি শনাক্ত করেন।
ভিকটিমের পিতার ধারণা, অজ্ঞাতনামা আসামিরা ভিকটিমকে হত্যা করে মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে ঝোপের মধ্যে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি দায়েরের পর আসামিদের আইনের আওতায় আনতে র্যাব-৯ ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে।
এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৯, সিপিসি-১, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি আভিযানিক দল সোমবার (২০ জুলাই) আনুমানিক বিকাল ৪টার দিকে সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল থানাধীন কুট্টাপাড়া কবরস্থান এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল থানার মামলা নং- ২০, তারিখ- ১৩/০৭/২০২৬ খ্রি., ধারা- ৩০২/২০১/ ৩৪ পেনাল কোড ১৮৬০; এর মূলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে হত্যার পর লাশ গুম করার ঘটনায় তাকে গ্রেফতার করে।
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৯) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া ) কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, ‘পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে গ্রেফতারকৃত আসামিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়াও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র্যাব-৯ এর চলমান গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’
সম্পাদক ও প্রকাশক: আব্দুল খালিক
আইন-উপদেষ্টা: ব্যারিস্টার ফয়সাল দস্তগীর, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
উপ-সম্পাদকঃ ফুজেল আহমদ
প্রকাশক কর্তৃক উত্তরা অফসেট প্রিন্টার্স কলেজ রোড, বিয়ানীবাজার, সিলেট থেকে মুদ্রিত ও শরীফা বিবি হাউজ, মেওয়া থেকে প্রকাশিত।
বানিজ্যিক কার্যালয় : উত্তর বাজার মেইন রোড বিয়ানীবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: dailyajkersylhet24@gmail.com মোবাইল: ০১৮১৯-৫৬৪৮৮১, ০১৭৩৮১১৬৫১২।
শাফিয়া শরীফা মিডিয়া বাড়ীর একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান দৈনিক আজকের সিলেট, রেজি নং: সিল/১৫৩